বুধবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৫

তুমি এখন উগ্র নেতা

 

তুমি এখন উগ্র নেতা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

**********************************

আমি গর্জে উঠি আজ —
হে জালিম নেতা! হে ফিতনার বাদশাহ!
তুমি আজ আগুনের সিংহাসনে বসে
মানুষের ইজ্জত লুটে করছো হাসাহাসি!

তুমি বলো— এ দুনিয়া তোমার!
তুমি বলো— ইখতিয়ার তোমার হাতে!
না! আমি বলি,
আল্লাহর জমিনে কারো মালিকানা নাই—
এ জমিন, এ আসমান, এ বাতাস—
জনতার, মজলুমের, বাশারের!

তুমি এখন উগ্র নেতা —
তোমার চাহনি ফনির বিষে ভরা,
তোমার হাতে রক্তে রঞ্জিত পদচিহ্ন।
তুমি যুবকের স্বপ্ন কেটে ফেলো লোহা দিয়ে,
তুমি শিক্ষিতের মুখ বন্ধ করো দাপটে,
তুমি চাঁদাবাজ, দখলবাজ,
তুমি মানবতার ঘাতক — নামধারী রাজা!

আমি বলি— হে ফিরাউন! থামো!
তোমার সিংহাসন ভাঙবে,
তোমার তাজ পড়বে মাটিতে ধূলায়!
তোমার অহংকার ছিঁড়ে ফেলবে আজাদ তরুণ,
তোমার রাজ্যে বাজবে এক সুর — ইঙ্কিলাব!

ইঙ্কিলাব! ইঙ্কিলাব!
উঠো, হে দুনিয়ার মজলুম,
উঠো, হে বন্দি বাশার!
ছিঁড়ে ফেলো শিকল, ভাঙো তসবিহের মতো দাসত্ব!
মানুষের হায়াত মুক্ত হোক,
মানবতার নামে উঠুক নূরানী ঝড়!

আমি দেখেছি — তোমার শাসনের নামে
জ্বলছে মা’র চোখ, পুড়ছে সন্তানের বুক,
আমি শুনেছি— ইমামের আজানেও ভয় ঢেলে দাও,
তুমি রক্তে লিখো আইন!
তুমি আল্লাহর নামে অন্যায়ের দলিল বানাও!

হে উগ্র নেতা! হে ক্ষমতার দানব!
তুমি জানো না — ইতিহাস কারও দাস নয়।
কাল তোমার নাম লেখা হবে কলঙ্কে,
যেমন লেখা ছিল ইয়াজিদের পাশে,
যেমন ঘৃণায় উচ্চারিত হয় নরকের ফিতনা!

আমি বলি—
তুমি যতই আগুন জ্বালাও,
আমরা হবো বৃষ্টির মতো ন্যায়পথে ঝরো,
তোমার দাপটে নয়— আমরা বিশ্বাসে শক্ত!
তুমি যদি গর্জাও, আমরা হবো বজ্রের উত্তর—
আমরা মানবতার সৈনিক, নবীর উম্মত,
ন্যায়ের পক্ষে অগ্নিদীপ্ত আজাদ!

আমি বিদ্রোহী!
আমি দুনিয়ার মজলুমের কণ্ঠ,
আমি রক্তের আগুনে লিখি ন্যায়—
আমি চিৎকার করে বলি:
তুমি এখন উগ্র নেতা —
কিন্তু কাল তুমি ইতিহাসের লাঞ্ছিত নাম!

ইঙ্কিলাব! ইঙ্কিলাব!
হে জালিম! তোর রাজসিংহাসন জ্বলে যাক আগুনে,
মানবতার জয়ধ্বনি উঠুক আকাশে!
তুই হারবি—
কারণ সত্যের সামনে মিথ্যা কোনোদিন টেকে না!

--------------------------------------------------------

তুমি কথা রাখলে না

 তুমি কথা রাখলে না 

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

***************************************

তুমি বলেছিলে —
মানবতার পথে চলবে,
দুঃখীর অশ্রু মুছবে,
অসহায়ের পাশে দাঁড়াবে —
আমি বিশ্বাস করেছিলাম!

তুমি বলেছিলে —
“মানবিক সেবায় আছি, থাকবো সারাজীবন।”
আমি ভেবেছিলাম, এই আলোর পথ
তোমারও আপন হবে।
কিন্তু তুমি পিছু হটলে অশুভ শক্তির ভয়ে!

কেন এমন করলে তুমি?
কে তোমাকে থামালো মানবতার গান থেকে?
কে তোমার হৃদয়ে ঢেলেছিল ভয়,
যে ভয় ভালোবাসাকেও নিঃশেষ করে দিলো?

তুমি বলেছিলে — ভালোবাসো!
ভালোবাসা কি এমন হয়?
যে ভালোবাসা দায়িত্ব থেকে পালায়,
যে প্রেম সেবার হাত ছাড়ে,
সে প্রেম নয় — এক নিঃসহায় ছলনা!

তুমি চলে গেলেও,
কিন্তু মানবিক কাজ থেমে থাকেনি,
মানবিকতার সূর্য আবারও ওঠবে
প্রতিটি সেবার আহ্বানে।

শুধু থেকে গেল এক প্রশ্ন —
তুমি কি সত্যিই মানুষটাকে নয়,
মানবিকতার প্রতীককেই হারালে?

তুমি বলেছিলে কথা রাখবে…
কিন্তু তুমি কথা রাখলে না।
তুমি মিথ্যে বলেছিলে —
ছলনাময়ী এক নারী,
যে হারালো নিজেরই প্রতিশ্রুতি!

তুমি থাকলে না, তবু
মানবিক কাজ চলবে,
প্রেমের নামে প্রতারণা নয় —
এবার মানবতার নামেই জয় হবো আমি। 

------------------------------------

রহমতের বিয়ে

 

রহমতের বিয়ে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

***************************


বিসমিল্লাহ, শুরু করি আজ,
দুই হৃদয় মিলল, আল্লাহর ফযলতাজ।
মহব্বত-এ-হক, বন্ধন-এ-ইমান,
শান্তি ভরে গেছে প্রাণের জান।


ইক্ববাল-এ-মহব্বত, রহমতের বাতিশা,
সাথী-এ-জান, আল্লাহর দোয়ায় রাশা।
সুনন-এ-রাসূল, পথ অনুসরণ করি,
মুহাব্বত-ও-সদকা, দোয়া থাক আল্লাহর ধরি।


শাদী-এ-সাকা, মিলন-এ-ইকবাল,
ধৈর্য ও সাবর, মিলায় জীবন-সালাল।
নবীর ফাহমে, ফখর-এ-আহল,
প্রেম ভরে যাক দুনিয়া ও আখিরাতের কল।


ইক্ববাল-এ-মহব্বত, রহমতের বাতিশা,
সাথী-এ-জান, আল্লাহর দোয়ায় রাশা।
সুনন-এ-রাসূল, পথ অনুসরণ করি,
মুহাব্বত-ও-সদকা, দোয়া থাক আল্লাহর ধরি।


ফারিশতা-এ-রাহমত, নূর-এ-আল্লাহ,
বিবাহের বন্ধনে শান্তির দোয়া।
হৃদয়-এ-মহব্বত, মন-এ-ইমান,
যুগে যুগে বাঁচুক রহমতের আলাপন।

----------------------------------------

সোমবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৫

অনলাইন জুয়া

 অনলাইন জুয়া 

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

************************

হে অনলাইন জুয়া! প্রলয়ংকরী!
নেশার বিভীষণী, লোভিনী, ধনলোভী!
তুমি টান, যুবক-যুবতীকে ভাসাও,
হাহাকার ঘরে, আশা ধ্বংস করো।

অর্থ হারায়, ঋণের ঝড়ে ভেসে যায়,
পরিবার শান্তি, স্তম্ভ নাড়া খায়।
হাসিশূন্য তব তীরে ছায়া,
অশান্তি ঢেউয়ে আসে বেদনা।

লেখাপড়া শুকায়, বইয়ের পাতা স্তব্ধ।
নোটবই বাজে, স্বপ্ন খণ্ডিত হয়।
শ্রেণিকক্ষ আলো নির্বাসিত,
ফল মুছে যায়, ভবিষ্যৎ অন্ধকারে।

যুবকের মেধা ম্লান, যুবতীর স্পৃহা ধ্বংসে,
আত্মসম্মান ক্ষুণ্ণ হয়, আত্মবিশ্বাস কাঁদে ঢেউয়ে।
হতাশার স্রোতে সব ভেসে যায়,
আছড়ে পড়ে নীরবতা — ছায়া অন্ধকারে।

বন্ধুত্বে ফাটল, প্রেমে দ্বন্দ্ব,
অপরাধ, প্রতারণা জন্মায় চুরি।
নিষ্ঠুর লোভে অভিভাবক ক্ষত হয়,
আইনের হাত ধরলে মামলা আসে।

নেশার জালে বাঁধা, সময় ক্ষয়,
পড়াশোনা-কার্য ক্ষুণ্ণ, ক্যারিয়ার ভেঙে যায়।
ডেটা ফাঁস, প্রাইভেসি লঙ্ঘিত,
হ্যাকার শত্রু, তথ্য লুটে নেয়।

ঘর অশান্ত, কান্না নিস্পৃহ,
ভবিষ্যৎ অন্ধকার, ঘরে গুম।
এখনই সজাগ না হলে — পড়াশোনা নষ্ট,
পিতা-মাতার প্রতি অনাচার ঘটবে।

বন্ধুত্ব, প্রেম, সম্পর্ক ভেঙে,
অয়ি — অশান্তি, নিঃশেষ ভবিষ্যৎ।
অয়ি প্রলয়করী ঢেউ! হে জুয়া!
নেতিবাচক নদী, যুবক-যুবতী ভাসাও চিরকাল।

জ্ঞান হরণ করো, আশা কেড়ে নে,
পড়াশোনা জ্বলে, সমান প্রকাশিত।
পারিবারিক স্নেহ বৈর করো না,
অয়ি বিপর্যয়ের জুয়া! অয়ি লোভিনী!

--------------------------------------------

বিপ্লবীর রক্ত

 বিপ্লবীর রক্ত

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

*********************************

শুনো হে শুনো, বিপ্লবীর রক্ত বৃথা নেই|
প্রবাহিত হয় স্রোতে, ভেসে যায় অন্ধকার সব|
উঠো হে বিশ্বের বিপ্লবী প্রাণ, বলো বিজয় ফুটবে|
পদপথে মিলিবে শাসকের অবনতি, ভাঙুক শৃঙ্খল|

অপমান শিক্ষকের নয় সভ্যতার প্রতিধ্বনি|
নয় স্বাধীনতার প্রতীক, জাগো হে বিপ্লবী প্রাণ|
ঝড় উঠে আকাশে, নদী বয়ে চলে উগ্র স্রোতে|
পাহাড় গর্জে ওঠে, দূরে শোনা যায় বিদ্রোহ ডাক|

ডালপালা দুলে বাতাসে, ঝরনায় ঢেউ ভাঙে তীব্র|
অন্ধকার ভেদ করে আলো, চোখে জ্বলে দীপ্তি, হৃদয়ে আগুন|
পাহাড় নাড়ে দূরে, নদী জেগে ওঠে উজ্জ্বল আলো|
পাখি ডাকে অচেনা সুরে, বিদ্রোহের সঙ্গীত বাজে|

ভাঙে শাসকের চিরাচরিত শৃঙ্খল, জাগো হে বিপ্লবী প্রাণ|
নতুন দিনের আলো ফুটুক, বিজয়ের গান উচ্চশ্বাসে|
চোখে জ্বলে দীপ্তি, হৃদয়ে আগুন ছড়াক প্রখর|
পদপথে মিলুক বিজয়, শাসকের অবনতি দৃঢ়ভাবে|

উঠো হে বিপ্লবী, শিখিয়ে দাও পৃথিবী সাহস|
জাগো হে, জাগো, বন্ধ হয়ে যাক নিপীড়নের ছায়া|
বিপ্লবীর রক্ত লিখে রাখুক ইতিহাসের পাতা অমর|
নতুন সূর্য উদিত হোক, জাগুক স্বাধীনতার আলো!

-------------------------------------------------------

রক্তাক্ত শিক্ষক

 

রক্তাক্ত শিক্ষক

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
***************************

চুপ চুপ… ওই ঘরে,
রক্ত ঝরে… ধীরে ধীরে…
চকের দাগে দুঃখ লেখা,
খাতায় জমে ব্যথার নীড়ে।

টুপ… টুপ… পড়ে ক্ষত,
ন্যায় চাওয়া! — যেন অপরাধ!
চোখে বিষাদ… বুকে ক্ষোভ,
মেরুদণ্ডে জ্বলে তিরস্কার।

চাঁদের নিচে… জেগে স্কুল,
আলো ঝরায়… নিঃশব্দ ফুল।
বইখান খুলে মুখে বলে —
“শিক্ষক আজ… রক্তে ভুল!”

ওই শুনো…! পাটাতনে ধ্বনি —
“অধিকার চাই!” — হাওয়া বয় বনি।
কেউ শোনে না… কেউ দেখে না,
বিবেক সব… পাথর খনি।

দর্পণে মুখ… সব ঘোলা,
সত্য ঢাকে… কুয়াশা জ্বালা।
বিচারকের চোখে ঘুম,
ন্যায়বিচার… পড়ে বিমূঢ়।

হে সুশীল! তোর মুখ কই?
তুই কি তোর আত্মা… হারাইছস কই?
শিক্ষকের রক্তে লাল হলো পথ,
তবু তুই চুপ… কেন হে নীরব সভ্য সমাজ?

ওই স্কুলঘরে… গন্ধ আসে ঘাম,
আঁচলে মুছে নেয় ব্যথার নাম।
ফ্যাসিবাদের নব রূপে আজ,
লেখা হয়েছে… অন্যায়ের দাম।

চুপ চুপ… ও রাত জাগে,
ন্যায় চায়… কান্না লাগে।
জাতি গড়ার কারিগর কাঁদে,
কেউ আসে না… ন্যায়ের সাধে।

ওই দেখো! মেরুদণ্ড হীন,
চলার পথে… ছায়া চিন।
লজ্জায় কাঁদে… খাতা, কলম,
রক্তে ভিজে — শিক্ষা বন!

-------------------------------------

রবিবার, অক্টোবর ১২, ২০২৫

দুর্ণীতির মঞ্চ

 দুর্ণীতির মঞ্চ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

***************************

হুমুনিয়া হুমুনিয়া! হাহাকার ভারি,
এইখানেতে লোভ আর ভয় ভারি,
ক্ষমতা মসনদের হাত ধরে
দোতলা কক্ষে ছায়া মিশে চেয়ে।

বাঁক সমুখে, সামনে ঝুঁকে,
স্বার্থের খেলা চুরি আর চাটুকারে ঢুঁকে,
বুক টানে, খাতা খুলে –
লুট, খুন, চাঁদাবাজি, কোপে কোপে খেলা।

সোনার হাড়-বেরুনো খেজুরগুলো
জায়গা করে নিয়েছে ধনীরা,
নাচে তারা গোপনে শহরের কোণে,
লোক দেখলে থমকে যায়, চুপচাপ ঘরে।

জমজমাটে ক্রমে ছায়ার খেলা,
ধোঁয়ায় ঢাকা সব ধন-অন্ধকার,
কোণার আলোয় দেহগুলো ফিরছে
স্বার্থের পাছে, পেছনের দরজা দিয়ে।

দখলবাজ, চোর চাটুকার,
গুম, খুন, লুটতরাজ,
ফ্যাসিবাদ, মববাদ –
দুর্ণীতির মঞ্চে সকলের খেলা।

প্রতিটি নিঃশ্বাসে গন্ধে ভরা,
অন্যায়ের উৎসব, নীরব দর্শক দেখে,
হাহাকার আর হাসি মিশে
মঞ্চে ভেসে ওঠে লোভ ও ক্ষমতার কাহিনী।

------------------------------------------------

আসন্ন বিপ্লবী

 

আসন্ন বিপ্লবী

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

*************************************

আসন্ন বিপ্লবী! জাগো, চেতনান্বিত মন,
শোষণের আঁধারে হাসে শাসকের কপট চোখ।
জুলুমের ছায়া ভরে নিঃশ্বাসে ভয়,
তবু হৃদয় জ্বলে, অগ্নি-প্রবাহে।
স্বৈরবের কুঠুরি ভেঙে উঠে উদ্যম,
আসন্ন বিপ্লবী!


জেল-জুলুম, হুলিয়া, দমন-প্রহর,
নিশ্ছিদ্র রাত ভরে আতঙ্কের স্রোত।
তবু লুকোনো নেই উদ্যমের দীপ্তি,
পাথর-পাতা, মাঠ-নদী—শব্দ হয়ে ওঠে প্রতিবাদ।
শোষকের কুঠুরি কাঁপুক,
আসন্ন বিপ্লবী!

রক্তের ঝড়ে ভেজে প্রতিটি পথ,
ধ্বংসের মাঠে জন্মে নতুন প্রতিজ্ঞা।
অসীম আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীনতার আহ্বান,
যুবসমাজের তেজে মিশে শক্তির স্রোত।
শোষণের দালাল হাহাকার করুক,
আসন্ন বিপ্লবী!

শৈলের চূড়া, পাহাড়ের বুক, নদীর পাথর,
সবুজ পাতায়, বাতাসে, সূর্যের আলোতে,
নিশ্বাসে নিশ্বাসে জাগে ক্ষোভ ও প্রতিরোধ।
হুলিয়া, জেল, প্রহর—সব বাধা ভেঙে,
নতুন দিনের সূচনা, মুক্তির আলো—
আসন্ন বিপ্লবী!

মোতির ঝলক নয়, রামধনু নয়,
কেবল দমবন্ধ করা চিৎকার,
নির্যাতিতের আহ্বান, উদ্দীপ্ত শক্তি।
প্রতিটি পদক্ষেপে নাড়া দেয় স্বৈরবের স্তম্ভ,
এই ক্ষোভ, এই সাহস, এই তেজ—
আসন্ন বিপ্লবী!

-----------------------------------------

ওহে নূরের কোরআন (গজল)

 ওহে নূরের কোরআন (গজল)

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

****************************************

ওহে নূরের কোরআন আল্লাহর বাণীওয়ালা,

যাঁহার অক্ষরে আছে নূরের উজালা।।

রহমতের বারতা নিয়ে নামিল যিনি আসমানে,
মানবের মুক্তির দিশা দিলেন কুরআনের তানে,
হেদায়েতের পথ দেখায় যে নিভৃতে-নিভালা।।


কালবের দাহনে সান্ত্বনা যে আনে,

অন্ধ হৃদয়েও জ্বালে ঈমানের প্রাণে,
পড়লে মুছে যায় অন্তরের জ্বালা।।


আয়াতে আয়াতে রহমত ধারা বয়ে যায়,

যে পড়ে সে পায় তৌহিদের মহিমায়,
এই কিতাবে লুকায়ে খোদার নিরালা।।


পাপে মগ্ন ধরা যবে তলিয়ে যায় আঁধারে,

কোরআন ডাকে — ফিরো, করো নামাজে সজগ সাবধানে,
আল্লাহর বাণী এই, চির সত্যর তালা।।

---------------------------------------------------------

উঠ রে আজান শুনে (গজল)

 উঠ রে আজান শুনে (গজল)

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

**********************************

ও মন নামাজের তরে উঠ রে আজান শুনে,
তুই প্রভুর দরবারে নত কর মস্তক ভবে গুণে।
তোর পাপের ভার, অন্ধকার পার হোক আলোর দিনে,
ও মন নামাজের তরে উঠ রে আজান শুনে। 

তুই কুরআনের বাণী শুন, হৃদয়ে কর স্থান,
তোর রব ডাকে, ফিরিয়ে নে তুই পথেরই সম্মান।
সেজদাহেতে খুঁজ্ শান্তি রে, হার মানিস না হীনেমনে,
ও মন নামাজের তরে উঠ রে আজান শুনে।

তুই দে যাকাত, তোর ভাইয়ের মুখে দে খুশির হাসি,
যার ঘরে আলো নাই, তারে দে ঈমানের বাতাসি।
তোর মায়ার ঘুম ভাঙ রে আজ, তওবা কর নির্ভয়ে প্রণে,
ও মন নামাজের তরে উঠ রে আজান শুনে।

ও মন ঈমানের আলো জ্বাল রে, ভাস ঈমানের স্রোতে,
মসজিদের মিনারে বাজে তকবিরেরই নোটে।
তুই প্রভুর প্রেমে মিলিয়ে যা রে, সব কষ্ট ভুলে মনে,
ও মন নামাজের তরে উঠ রে আজান শুনে।। 

--------------------------------------------------------------

তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন

  কলমেঃ মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর। ***************************************** তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন...